+8801303523442 24/7 Open
ওয়েবসাইট বানানোর শুরুতে প্লানিং কিভাবে করতে পারেন?

ওয়েবসাইট বানানোর শুরুতে প্লানিং কিভাবে করতে পারেন?

ওয়েবসাইট বানানোর শুরুতে প্লানিং কিভাবে করতে পারেন?

ধরে নিচ্ছি আপনার সাইট এর Requirement প্রথম ভার্সন রিলিজ এর জন্য ১০০% রেডি আছে। শর্ট টার্ম প্ল্যানঃ যদি আপনার সাইটকে ১/১.৫ বছরের মধ্যে বেশ বড় করার প্ল্যান না থাকে, সময় কম, বাজেট কম তাহলে বলবো WordPress দিয়ে সাইট বানিয়ে নিতে পারেন।

এই ক্ষেত্রে করনীয়ঃ ১) যদি আপনার সামনে ১ বছরের প্ল্যান থাকে তাহলে সময়কে ভাগ করে নেন। ৩/৪ স্টেপ এ একেকটা ভার্সন রিলিজ করতে পারেন যার প্রত্যেকটার সময়সীমা ৩-৪ মাস হতে পারে। এতে আপনার কাজের গতি ঠিক থাকবে। ২) অবশ্যই ভালো মানের WordPress Theme ব্যাবহার করবেন। – ভালো মানের বলতে Look and Feel (ডিজাইন) বর্তমান trend অনুযায়ী হওয়া উচিত। – Full responsive design (মানে যে কোন device এ আপনার সাইট এর ডিজাইন/Layout ভাঙবেনা) – User Interface code optimized হওয়া জরুরী। যেটা আপনার সাইট এর performance বাড়াবে।

– Theme কিনলে পরবর্তী update এর দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ৩) বেছে বেছে ভালো কিছু WordPress plugin install করে নিতে পারেন। ৪) maintainance, security এসব ব্যাপারে সতর্ক থাকা। ৫) সাথে আপনার সার্ভার অনেক ভালো মানের না হলেও চলবে প্রথম দিকে। তবে যদি shared hosting plan নেন তাহলে Bandwidth এর দিকে খেয়াল রাখবেন। Visitor বাড়তে থাকলে কম Bandwidth এর কারণে আপনার সাইট down হয়ে যেতে পারে।

লং টার্ম প্ল্যানঃ যদি আপনি মনে করেন প্রথমেই অনেক ভালো ভাবে আপনার সাইট ডেভেলপ করাবেন, অনেক ভালো ফিচার নিয়ে আসবেন এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময় + বাজেটও বেশ ভালো আছে, তাহলে অবশ্যই আপনাকে কাস্টম এপ্লিকেশন বানিয়ে নিতে হবে। এই ক্ষেত্রে WordPress নির্বাচন করা বোকামি হবে। যে কোন ভালো language দিয়ে ডেভেলপ করাতে হবে।

যেমনঃ C#/.net, PHP ইত্যাদি। এগুলোর উপর অনেক ভালো ভালো Framework বানানো আছে যেটা দিয়ে বেশ উন্নত মানের ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে করনীয়ঃ

১) আপনার সামনে অবশ্যই ১-১.৫ বছরের প্ল্যান থাকতে হবে যেটাকে ভাগ করে নিতে পারেন ছোট ছোট milestone এ। একেক milestone এ একেক ধরনের টার্গেট থাকবে এবং প্রত্যেক milestone যথাসময় শেষ হচ্ছে কিনা খেয়াল রাখতে হবে।

২) যারা ডেভেলপ করবে অবশ্যই Trusted এবং Quality সম্পন্ন কোড হওয়ার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে কিনা খেয়াল রাখা।

৩) উভয় প্লানিং এর ক্ষেত্রে নিজেই সার্ভার কিনে ঐখানে সবসময় কোড রাখার জন্য বলা, যাতে আপনার কাছে কন্ট্রোল থাকে।

৪) এই ক্ষেত্রে শুরুতে Hosting নিতে পারেন তবে মিনিমাম কিছু অপশন/কনফিগারেশন Consider করে নিতে হবে।

৫) বর্তমান Trend অনুযায়ী ডিজাইন করা, Layout বানানো টা (HTML/CSS) optimized হওয়া জরুরী। যেটা আপনার সাইট এর performance বাড়াবে।

৬) Security এর ব্যাপারে Development এবং Server উভয় দিকেই খেয়াল রাখতে হবে।

মোটামোটি এই বিষয়গুলো খেয়াল রেখে কাজ শুরু করলে আশা করি ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে ইংশাআল্লাহ। আরও অনেক বিষয় আছে যেগুলো বিস্তারিত লিখতে গেলে অনেক সময়ের প্রয়োজন। তাই সংক্ষেপে লিখলাম।

#kowork #informatiklab #ecommerce #website #planning

This Post Has 2 Comments

    1. thanks for your best compliment

Leave a Reply

Close Menu